Interactive Cat Toy – Wagging Tail Stuffed Cat Toy
Interactive Cat Toy – Wagging Tail Stuffed Cat Toy
বাচ্চা সারাদিন মোবাইল নিয়ে থাকে? একা একা থাকে, কারো সাথে কথা বলে না, খেলনা দিয়ে ৫ মিনিটের বেশি খেলে না? বাচ্চাকে একটা সত্যিকারের বিড়াল কিনে দিতে চান, কিন্তু কামড়াবে, আঁচড়াবে, অসুখ হবে, ঘর নোংরা হবে বলে ভয় লাগে?
বাচ্চার একাকীত্ব আর মোবাইলের নেশা দূর করতে নিয়ে এসেছি Interactive Cat Toy – Wagging Tail Stuffed Cat Toy!
কেন কিনবেন?
১. লেজ নাড়ে, হাঁটে, মিউ মিউ করে - দেখলে মনে হবে সত্যিকারের বিড়াল, বাচ্চা ভয় পাবে না, বরং জড়িয়ে ধরে খেলবে
২. হাত দিলেই নড়ে ওঠে - মোশন সেন্সর আছে, বাচ্চা কাছে গেলেই লেজ নাড়িয়ে, হেঁটে বাচ্চাকে ডাকবে, বাচ্চা একা ফিল করবে না
৩. নরম তুলতুলে, কামড়ালেও ক্ষতি নাই - সত্যিকারের বিড়ালের মতো কামড়াবে না, আঁচড়াবে না, অ্যালার্জি হবে না, ছোট বাচ্চাও নিরাপদে খেলতে পারবে
৪. মোবাইল ছাড়াই ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলবে - বাচ্চা এই বিড়ালকে খাওয়াবে, ঘুম পাড়াবে, গল্প করবে, মোবাইলের কথা ভুলে যাবে
১টা বিড়াল-ই বাচ্চার একাকীত্ব, মোবাইলের নেশা, কান্না - সব দূর করে দিবে!
অর্ডার করার ৩–৪ দিনের মধ্যেই পণ্য পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায়। 🚚
কুরিয়ার ম্যানের কাছ থেকে পণ্য বুঝে নিয়ে তারপর মূল্য পরিশোধ করুন। ❤️
Product Description
Interactive Cat Toy – Wagging Tail Stuffed Cat Toy
বাচ্চা সারাদিন মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকে? কার্টুন না দেখলে খায় না, মোবাইল কেড়ে নিলে চিৎকার করে কান্না করে, মাটিতে গড়াগড়ি দেয়? বাচ্চা একা একা থাকে, কারো সাথে মিশে না, কথা বলে না, স্কুলে বন্ধু বানাইতে পারে না? বাচ্চাকে একটা বিড়ালের বাচ্চা কিনে দিতে চান, কিন্তু কামড়াবে, আঁচড় দিবে, লোমে অ্যালার্জি হবে, ঘর নোংরা হবে, পটি করবে - এই ভয়ে দিতে পারতেছেন না?
বাচ্চা রাতে একা ঘুমাইতে ভয় পায়? অন্ধকারে কান্না করে, আপনাকে জড়িয়ে ধরে থাকে? আপনি চান বাচ্চার একটা বন্ধু হোক, যার সাথে বাচ্চা খেলবে, গল্প করবে, ঘুমাবে - কিন্তু কোনো ক্ষতি হবে না?
আপনার এই সব টেনশন শেষ করতে নিয়ে এসেছি - Interactive Cat Toy – Wagging Tail Stuffed Cat Toy!
এটা শুধু একটা খেলনা না, এটা বাচ্চার জন্য একটা সত্যিকারের বন্ধু, একটা ছোট বিড়াল, আর মোবাইল ছাড়ানোর জাদুর খেলনা।
এটা কেন সবার থেকে আলাদা?
১. লেজ নাড়ে, হাঁটে, মিউ মিউ করে - একদম সত্যিকারের বিড়ালের মতো:
বাজারের সাধারণ পুতুলগুলো এক জায়গায় পড়ে থাকে, বাচ্চা ৫ মিনিট খেলে ফেলে দেয়। কিন্তু এই বিড়ালটা আলাদা। এটা লেজ নাড়ে, সামনে হাঁটে, মিউ মিউ করে ডাকে। দেখলে মনে হবে একটা সত্যিকারের সাদা-বাদামি রঙের ছোট বিড়ালের বাচ্চা আপনার ঘরে হাঁটতেছে। বাচ্চা এটাকে দেখলেই খুশিতে চিৎকার দিবে, দৌড়ে গিয়ে কোলে নিবে, জড়িয়ে ধরবে। যে বাচ্চা পুতুল দিয়ে খেলে না, সেও এই বিড়ালটাকে ছাড়তে চাইবে না।
২. হাত দিলেই নড়ে ওঠে - মোশন সেন্সর আছে, বাচ্চার সাথে কথা বলবে:
এই বিড়ালে মোশন সেন্সর লাগানো আছে। বাচ্চা কাছে গেলেই, হাত দিয়ে ছুঁলেই, তালি দিলেই বিড়ালটা লেজ নাড়িয়ে, হেঁটে বাচ্চাকে ডাকবে। মনে হবে বিড়ালটা বাচ্চাকে চিনে, বাচ্চার সাথে খেলতে চায়। বাচ্চা একা ফিল করবে না। বাচ্চা বিড়ালটার সাথে কথা বলবে, গল্প করবে, "মিউ, তুমি খাইছো?" - এইভাবে বাচ্চার কথা বলার অভ্যাস হবে, লাজুক বাচ্চা কথা বলা শিখবে। যেসব বাচ্চা একা থাকে, বাবা-মা অফিসে থাকে - তাদের জন্য এই বিড়ালটা সব থেকে ভালো সঙ্গী।
৩. নরম তুলতুলে, কামড়ালেও ক্ষতি নাই - ১০০% নিরাপদ:
সত্যিকারের বিড়াল কামড়ায়, আঁচড়ায়, লোম ঝরে অ্যালার্জি হয়। এই বিড়ালটা কামড়াবে না, আঁচড়াবে না, কখনো রাগ করবে না। একদম নরম, তুলতুলে, তুলোর মতো - বাচ্চা এটাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাইতে পারবে, গালে লাগাইতে পারবে, কামড় দিলেও কিছু হবে না। চোখ, নাক সব সেলাই করা, খুলে বাচ্চার মুখে যাবে না। ছোট ১ বছরের বাচ্চা থেকে ৮-১০ বছরের বাচ্চা - সবাই নিরাপদে খেলতে পারবে। অ্যালার্জি, হাঁচি, চুলকানি - কিচ্ছু হবে না। ঘর নোংরা হবে না, পটি করবে না, খাবার চাইবে না।
৪. মোবাইলের নেশা ছাড়াবে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেলবে:
বাচ্চা মোবাইল দেখে দেখে চোখ নষ্ট করতেছে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাইতেছে। এই বিড়ালটা পাওয়ার পর বাচ্চা মোবাইলের কথা ভুলে যাবে। বাচ্চা বিড়ালটাকে খাওয়াবে, পানি খাওয়াবে, গোসল করাবে, জামা পরাবে, কোলে নিয়ে ঘুম পাড়াবে। বাচ্চার মধ্যে দায়িত্ববোধ আসবে, যত্ন নেওয়া শিখবে, মায়া-মমতা বাড়বে। আপনি রান্না করার সময়, কাজ করার সময় বাচ্চা এই বিড়াল নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, আপনাকে বিরক্ত করবে না।
৫. রাতে একা ঘুমানোর ভয় দূর হবে:
অনেক বাচ্চা রাতে একা ঘুমাইতে ভয় পায়, অন্ধকারে কান্না করে। এই বিড়ালটাকে বাচ্চার পাশে শুইয়ে দিলে বাচ্চা মনে করবে তার বন্ধু তার পাশেই আছে। বাচ্চা বিড়ালটাকে জড়িয়ে ধরে শান্তিতে ঘুমাবে। আপনি রাতে শান্তিতে ঘুমাইতে পারবেন, বারবার উঠে দেখা লাগবে না।
৬. ব্যাটারি দিয়ে চলে, চালানো একদম সহজ:
বাটন সেল / AA ব্যাটারি দিয়ে চলে। ব্যাটারি লাগিয়ে সুইচ অন করলেই বিড়াল হাঁটা শুরু করবে। বাচ্চা নিজেই অন-অফ করতে পারবে। ব্যাটারি শেষ হলে বদলে নিলেই হবে, চার্জের ঝামেলা নাই।
কিভাবে ব্যবহার করবেন?
প্রথমে ব্যাটারি লাগিয়ে নিবেন। তারপর মেঝেতে বসিয়ে সুইচ অন করে দিবেন। বাচ্চাকে দেখাবেন - "দেখো, বিড়ালটা তোমার কাছে আসতেছে!" বাচ্চা নিজেই খেলতে শুরু করবে। ময়লা হলে হালকা ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিবেন, পানিতে ভিজাবেন না।
কাদের জন্য পারফেক্ট?
যে বাচ্চা মোবাইল ছাড়া থাকে না, যে বাচ্চা একা একা থাকে, যে বাচ্চা বিড়াল ভালোবাসে কিন্তু সত্যিকারের বিড়াল পালতে ভয় লাগে, যে বাচ্চা রাতে একা ঘুমাইতে ভয় পায় - সবার জন্য এটাই সেরা গিফট। ১ বছর থেকে ১০ বছরের ছেলে-মেয়ে - সবার জন্য পারফেক্ট। জন্মদিনে, ঈদে বাচ্চাকে একটা বিড়াল দেন - দেখবেন বাচ্চা সারাদিন হাসতেছে, মোবাইল চাইতেছে না!
বাচ্চাকে মোবাইল না দিয়ে, একটা বন্ধু দিয়ে দেন। আজই অর্ডার করুন Interactive Cat Toy – Wagging Tail Stuffed Cat Toy - আপনার বাচ্চার নতুন বন্ধু, মোবাইলের নেশা ছাড়ানোর জাদু, আর একাকীত্ব দূর করার সব থেকে কিউট বিড়াল!